Heading for Hell

বাঃ। কোন দিকে যাচ্ছি কে জানে?

একটা বাচ্চা জন্মালো আর তাকে বাতিল করতে কিছুক্ষণ লাগলো।

মা হওআ নাকি সর্বশ্রেষ্ঠ সুখ।

সেই মা তার সন্তান কে বিসর্জন করছে নিজের হাতে।

ঘটনাটা সোজা কিন্তু বিষয়টা জটিল।

মহাভারতের কুন্তি আর আজকের এই চৈনিক মহিলা – দুই জনই মা।

সমাজের ভয়ে / চাপের কথা ভেবে তারা এমন একটা পদক্ষেপ নিয়েছেন যা কিনা স্বাভাবিক চিন্তা-ভাবনার ঊর্ধে।

আমি ভাবছি, সেই মুহুর্তে কি কাজ করেছিল তাদের মনে? কি এমন তারা ভেবেছিল যা তাদের কে ঠেলে দিয়েছিল এমন একটা সিধান্তের দিকে? কষ্ট কি হয়নি তাদের? নিজের হাতে নিজের সন্তান কে বিসর্জন দেব – এতই সোজা?

এমন ঘটনা রোজ না হলেও ঘটে – বেশির ভাগই জানতে পারি না আমরা। কেন? কেন এমন হচ্ছে?

এত জটিলতা কেন? কেন এমন হয়? কেন জারজ সন্তান / কুমারী মা-রা সমাজের কলঙ্ক রূপেই দেখা হয়? কেন এই কালিমা ঘুচিয়ে দেবার কোনো সদুপায় খুঁজে বের করা হয় না যাতে এমন ঘটনা না ঘটে?

উত্তর টা কি..

  • ভগবানের তৈরী মানুষ জীবজগতের ভিতর সবচেয়ে সার্থপর।
  • নিজের চেয়ে বেশি আর কাউকে বেশি ভালবাসি না।
  • নিজেদের তৈরী সমাজ-এ টিকে থাকাটাই মূল লক্ষ্য হয়ে দাড়িয়েছে। কিভাবে সেটা বড় ব্যাপার নয়।
  • নিজের তৈরী আইন আজ একে-অপরের বিপক্ষে ব্যবহার করছি সাময়িক শান্তির জন্যে।
  • আরো আরো আরো চাই যে কোনো মূল্যে – কেন? নিজেরাই জানি না।

কোন দিকে যাচ্ছি কে জানে? আর ভালো লাগছে না লিখতে।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s